সিলেট: গত বছরের ১৭ এপ্রিল বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট জেলা সভাপতি এম ইলিয়াস আলী ও তার গাড়ি চালক আনসার আলী নিখোঁজের পর দেখতে দেখতে পার হল ১৫ মাসেরও বেশি সময়। কিন্তু এখনও তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে চরম উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে ইলিয়াসের বৃদ্ধা মা সূর্যবান বিবিসহ পরিবারের স্বজনদের। দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে ইলিয়াস কন্যা সাইয়ারা নাওয়ালের অপেক্ষার প্রহর। গত দুটি ঈদ বাবাকে ছাড়া নিঃসঙ্গতায় কেটেছে নাওয়ালের। তবে এবারের ঈদে বাবাকে পাশে পেতে চায় ইলিয়াস কন্যা। এমনই আকুতি তার রাষ্ট্রযন্ত্রের কাছে।
বাবাকে ফিরে পেতে ইলিয়াসের ওই ছোট মেয়ে নাওয়াল পাগলপ্রায়। গতবছর নাওয়াল তার জন্মদিনের উপহার হিসেবে বাবাকে ফিরে পেতে আকুতি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটি চিঠি দিয়েছিল। এর পর ১৫ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী, দেশবাসী আর প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানিয়ে তার লেখা একটি লিফলেটও প্রকাশিত হয়। এর আগে ইলিয়াস আলীকে ফিরে পেতে তার স্ত্রী লুনা সন্তানদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখাও করেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত ফিরে পাননি তারা ‘প্রিয়’ ইলিয়াস আলীকে।
বাবার সাথে তোলা ছবিগুলোই এখন নাওয়ালের জীবন সঙ্গী। তার পরও বুকভরা আশা নিয়ে বসে আছে নাওয়াল। মাস গেল, বছর গেল, চলে গেল দুটি আনন্দময় ঈদ। বছর শেষে চলে এসেছে আবারও ঈদুল ফিতর। আর ঈদের আগে তার বাবাকে সুস্থ ও অক্ষত অবস্থায় ফিরে পেতে ‘নাওয়াল’ ঈদ কার্ডের মাধ্যমে সকলের সহযোগীতা কামনা করেছে।
ঈদ কার্ডে নাওয়াল লিখেছে, ‘তোমাকে ছাড়া নিঃসঙ্গতা কাটেনা বাবা।’ তার বিশ্বাস ঈদের আগে বাবা ইলিয়াস আলীকে ফিরে পাবে সে।
অন্যদিকে ইলিয়াস আলীর সঙ্গে নিখোঁজ গাড়ি চালক আনসার আলীর পরিবারের লোকজনও রয়েছেন চরম হতাশায়।
স্বামী নিখোঁজের যন্ত্রণা আর বাবার আদর ও স্নেহবঞ্চিত শিশু কন্যা চাঁদনীকে নিয়ে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে আনসারের স্ত্রী মুক্তা বেগমের। দুটি পরিবারের সদস্যরা শুধু আল্লাহর ওপর ভরসা করে তাদের প্রিয় মানুষকে পাওয়ার আশায় বুক বেঁধে আছেন।
বাবার সাথে তোলা ছবিগুলোই এখন নাওয়ালের জীবন সঙ্গী। তার পরও বুকভরা আশা নিয়ে বসে আছে নাওয়াল। মাস গেল, বছর গেল, চলে গেল দুটি আনন্দময় ঈদ। বছর শেষে চলে এসেছে আবারও ঈদুল ফিতর। আর ঈদের আগে তার বাবাকে সুস্থ ও অক্ষত অবস্থায় ফিরে পেতে ‘নাওয়াল’ ঈদ কার্ডের মাধ্যমে সকলের সহযোগীতা কামনা করেছে।
ঈদ কার্ডে নাওয়াল লিখেছে, ‘তোমাকে ছাড়া নিঃসঙ্গতা কাটেনা বাবা।’ তার বিশ্বাস ঈদের আগে বাবা ইলিয়াস আলীকে ফিরে পাবে সে।
অন্যদিকে ইলিয়াস আলীর সঙ্গে নিখোঁজ গাড়ি চালক আনসার আলীর পরিবারের লোকজনও রয়েছেন চরম হতাশায়।
স্বামী নিখোঁজের যন্ত্রণা আর বাবার আদর ও স্নেহবঞ্চিত শিশু কন্যা চাঁদনীকে নিয়ে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে আনসারের স্ত্রী মুক্তা বেগমের। দুটি পরিবারের সদস্যরা শুধু আল্লাহর ওপর ভরসা করে তাদের প্রিয় মানুষকে পাওয়ার আশায় বুক বেঁধে আছেন।





0 comments:
Post a Comment